donate cover

আমাদের প্রকল্পসমূহ

ফিলিস্তিনের গাজায় জরুরি সহায়তা
ফিলিস্তিনের গাজায় জরুরি সহায়তা
গাজার নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে টিম হাফেজ্জীর পথচলা শুরু হয় সীমান্তবর্তী শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন দিয়ে। রাষ্ট্রদূত, রেড ক্রিসেন্ট ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় অল্প সময়েই তারা পৌঁছে দেয় কয়েক কোটি টাকার বেশি মানবিক সহায়তা—খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি, আর্থিক সহায়তা ও জরুরি সামগ্রী। ধ্বংসস্তূপের মাঝেও গড়ে তোলে ‘হাফেজ্জী ক্যাম্প’, যেখানে ৫০০ পরিবার আশ্রয় পায়; পুনর্গঠনে ব্যস্ত হয় ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদ-মাদরাসা।গাজা ও মিশরে টিমের কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ে হাসপাতালে চিকিৎসা সহায়তা, রান্না করা খাবার বিতরণ, সবজি প্যাকেজ, শীতবস্ত্র, ইফতার ও ঈদ উপহার পর্যন্ত। শিশুদের শিক্ষার আলো ফিরিয়ে দেয় Al Majid Academy–তে ৫০০ শিশুর পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়ে। নিরবচ্ছিন্ন হামলার মধ্যেও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা সাহায্য পৌঁছে দিচ্ছেন; শহীদ হয়েছেন দুইজন ভাই—যাদের জন্য দোয়া চলমান।স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি অনুদান যাচাই হয় DVC সিস্টেমে, যার তদারকিতে আছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও অভিজ্ঞ চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট। রেড ক্রিসেন্ট, আল-আজহার ও ফিলিস্তিনি দূতাবাসের স্বীকৃতি পাওয়া এই উদ্যোগ আজ বাংলাদেশি মানবসেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।...
দান করুণ
গাজায় শিক্ষা সহায়তা প্রকল্প
গাজায় শিক্ষা সহায়তা প্রকল্প
গাজার ধ্বংসস্তূপের মাঝেও কিছু স্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত খান ইউনুস এলাকায় আলহামদুলিল্লাহ টিম হাফেজ্জী দুটি মাদ্রাসার দায়িত্ব নিয়েছে—একটিতে দ্বীনি ও সাধারণ শিক্ষা, অন্যটি মক্তব। এখানে প্রায় ৭০০ শিশু পড়াশোনা করছে; তাদের অনেকেই ইয়াতিম, কেউ যুদ্ধাহত, কেউ বিকলাঙ্গ, তবুও তারা বই আঁকড়ে ধরে এগিয়ে যেতে চায়। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামের দিকনির্দেশনায় এবং বিশ্বজুড়ে দাঈ ও সহযোদ্ধাদের সহযোগিতায় গাজা, রাফাহ, মাওসি আল-কারাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় আমাদের এই আমানতপূর্ণ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলছে। কিন্তু গাজায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই মাদ্রাসা-কেন্দ্রিক প্রকল্প পরিচালনায় প্রতি মাসে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। তাই আমরা কিছু নিয়মিত দাতা ভাই-বোনের সহযোগিতা কামনা করছি, যাতে শিশুদের শিক্ষা, শিক্ষকদের সম্মানী, খাবার ও প্রয়োজনীয় উপকরণ নিশ্চিত করা যায়। আসুন, এই মাজলুম শিশুদের পাশে দাঁড়াই, আপনার মাসিক সহায়তাই তাদের ভবিষ্যতের আলো হতে পারে এবং হতে পারে আপনার জন্য এক অবিরাম সদকায়ে জারিয়া, ইনশাআল্লাহ।...
দান করুণ
সুদানে জরুরী সহায়তা
সুদানে জরুরী সহায়তা
সুদান আজ ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে ডুবে আছে যুদ্ধ, গৃহহীনতা ও ধ্বংসের চাপে লক্ষ লক্ষ পরিবার দিশেহারা। SAF ও RSF সংঘর্ষ দেশটিকে ভেঙে দিয়েছে এমনভাবে যে ২০২৪ সালে ১১.৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ ঘর হারিয়েছে, যাদের অর্ধেকই শিশু। খাদ্য সংকট, অপুষ্টি, কলেরা ও মহামারী সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ মিলিয়ন শিশু এখন মানবিক সহায়তার জন্য আকুল আর্তি জানাচ্ছে।অপরদিকে, স্বাস্থ্যসেবা প্রায় ধ্বসে পড়েছে; আশঙ্কাজনকভাবে ৭০% হাসপাতাল অকার্যকর। তবুও UNICEF, WHO এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহায়তা প্রবাহিত হচ্ছে, পানীয় জল, খাবার, মেডিকেল সাপোর্ট ও শিশু সুরক্ষার মাধ্যমে লাখো মানুষ বাঁচার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।এই কঠিন সময়ে Hafezzi Charitable Society of Bangladesh (HCSB) সুদানের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। গাজায় অব্যাহত সহায়তার ধারাবাহিকতায়, সুদানেও খাবার, পানি এবং চিকিৎসা সহায়তার প্রোগ্রাম শুরু করেছে HCSB, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও মানবতার কল্যাণকে কেন্দ্র করে। শিশুদের জীবনরক্ষা, ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যসেবাকে বাঁচানো এবং পুনর্গঠনের দীর্ঘ পথচলা, সব ক্ষেত্রেই এখন আপনার সাহায্য অপরিহার্য। আসুন, সুদানের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য এগিয়ে যাই।...
দান করুণ
নওমুসলিম ওয়েলফেয়ার প্রোগ্রাম
নওমুসলিম ওয়েলফেয়ার প্রোগ্রাম
একজন মানুষ যখন সত্যের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিবার ও সমাজ ছেড়ে ইসলামের ছায়ায় আশ্রয় নেন, তখন তার নতুন জীবনের পথটা হয়ে যায় আরও কঠিন। ঠিক সেই মুহূর্তেই টিম এইচসিএসবির নও মুসলিম কল্যাণ কর্মসূচি তাদের পাশে দাঁড়ায়। স্বাস্থ্যসেবার অভাব, আর্থিক অনটন ও মানসিক চাপ, এই সব চ্যালেঞ্জে জর্জরিত নও মুসলিমদের জরুরি চিকিৎসা, ব্যয়বহুল মেডিকেল সহায়তা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌঁছে দিচ্ছে এই উদ্যোগ।তাদের জীবনকে স্থির ও স্বাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন, গবাদিপশু, ব্যবসায়িক সহায়তা ও আর্থিক অনুদান প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি ইসলামী জ্ঞান ও সাধারণ শিক্ষায় এগিয়ে দিতে মক্তব, মসজিদভিত্তিক স্কুল ও শিক্ষা কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। এমনকি নিরাপদ পানির সংকটে থাকা নও মুসলিম পরিবারগুলোর জন্য নলকূপ স্থাপনের ব্যবস্থাও করছে এই কর্মসূচি।এই সব প্রচেষ্টা নও মুসলিম ভাই-বোনদের নতুন জীবনে আলোও সাহস জোগাচ্ছে। আর আপনার দান ও সহযোগিতাই পারে এই মানবিক মিশনকে আরও বিস্তৃত করতে, আরও অনেক জীবনে পরিবর্তন আনতে।...
দান করুণ
প্রজেক্ট জান্নাতের খোজে ( চিকিৎসা সহায়তা )
প্রজেক্ট জান্নাতের খোজে ( চিকিৎসা সহায়তা )
একজন অর্ধ-মৃত বৃদ্ধ ভিক্ষুকের চিকিৎসা দিয়ে শুরু হয়েছিল যে ছোট উদ্যোগ, আজ সেই প্রচেষ্টাই “প্রজেক্ট জান্নাতের খোজে” নামে দেশের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সবচেয়ে শক্ত ভরসাগুলোর একটি। হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ পরিচালিত এই প্রকল্পটি কেবল রোগীদের চিকিৎসাই দেয় না এটি দেয় নতুন জীবনের আশা। হার্ট সার্জারি, ক্যান্সার চিকিৎসা, কিডনি–লিভারের জটিল অপারেশন। গত বছরই অর্ধকোটি টাকার বেশি চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, যা অসংখ্য পরিবারের জীবন বদলে দিয়েছে। ইজতেমা, চরমুনাই, বান্দরবানসহ দেশের দুর্গম অঞ্চলে নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে প্রকল্পটি হাজার হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দিয়েছে। ম্রো উপজাতি থেকে শুরু করে শহরের বস্তির পরিবার, যেখানে চিকিৎসা পৌঁছায় না, সেখানে দাঁড়িয়েছে টিম হাফেজ্জী। ২০ জনেরও বেশি ডাক্তার, নার্স ও সেচ্ছাসেবকের দল দুর্ভোগে থাকা মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে দেখিয়েছে, মানবতার কাজ সীমা মানে না।প্রজেক্ট জান্নাতের খোজে এখন আরও বড় স্বপ্ন নিয়ে এগোচ্ছে, আরো দরিদ্র রোগীর পাশে দাঁড়ানো, দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা বিস্তৃত করা, এবং শীঘ্রই ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সাথেও সরাসরি কাজ করা। আপনার দান, জাকাত ও অংশগ্রহণ এই বিশাল মানবিক উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। আসুন, আমরা সবাই মিলে অসহায় মানুষের পথে আলো ছড়িয়ে দিই।...
দান করুণ
শীতবস্ত্র বিতরণ প্রকল্প
শীতবস্ত্র বিতরণ প্রকল্প
শীত নামলেই দেশের বহু মানুষ তীব্র ঠান্ডায় কাঁপতে থাকে, আর সেই কষ্টের মুহূর্তেই হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি শুরু করে তাদের শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি। শহর থেকে প্রত্যন্ত উত্তর–দক্ষিণবঙ্গ পর্যন্ত, দলটি ছুটে যায় সেইসব মানুষের কাছে যাদের কাছে নেই উষ্ণ পোশাক বা নিরাপদ আশ্রয়। ইতিমধ্যেই তারা উত্তরবঙ্গে কম্বল বিতরণ শুরু করেছে এবং গত বছর প্রায় ১০,০০০ উচ্চমানের কম্বল পৌঁছে দিয়েছিল সবচেয়ে অসহায় মানুষের হাতে। এই এক টুকরো কম্বল শুধু ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে না, দেয় আশ্বাস যে তারা একা নয়। শীতবস্ত্র পাওয়া মানুষের মনে জন্মায় নতুন সাহস ও আত্মবিশ্বাস, কমে ঠান্ডাজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি। ঠিক এই অনুভূতিই প্রকল্পটিকে একটি মানবিক দায়িত্বের চেয়েও বেশি একটি উষ্ণতার বার্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।আগামীতেও আরও বড় পরিসরে এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য তাদের। আর সেই পথ সুগম হয় মানুষের দান, স্বেচ্ছাসেবী প্রচেষ্টা এবং ব্যবহৃত শীতবস্ত্রের মাধ্যমে। সবাই মিলে একটুখানি উষ্ণতা ছড়িয়ে দিতে পারলেই, অনিশ্চিত শীত কিছু মানুষের কাছে হয়ে ওঠে একটু সহনীয় ইনশাআল্লাহ।...
দান করুণ
স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প
স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প
গ্রামের দরিদ্র মানুষের জীবনে বদলের গল্প লিখছে প্রজেক্টঃ স্বাবলম্বী করণ। কেউ ঘরে বসে আয়ের স্বপ্ন দেখেন, কেউ আবার নিজের পরিবারকে অভাব থেকে মুক্ত করতে চান, এই প্রকল্প ঠিক সেই পথই তৈরি করে দিচ্ছে। সেলাই মেশিন হাতে পাওয়া একেকজন নারী নতুন করে নিজেদের জীবন গড়ছেন; আবার গবাদি পশু পেয়ে শুরু করছেন ছোটখাটো উৎপাদন ও বিক্রি। চরমুনাইয়ে ৫০ জন নারীকে অরিজিনাল সিঙ্গার সেলাই মেশিন বিতরণ ছিল এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।পুরুষদের জন্য অটো রিকশা ও ভ্যান, আর্থিক সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তাদের জীবিকায় স্থিতি আনছে। এসব উদ্যোগ শুধু আয়ের পথই খুলে দিচ্ছে না পরিবার, সমাজ ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। স্বনির্ভরতার এই যাত্রায় টিম হাফেজ্জী বিশ্বাস করে, সহায়তা পেলে প্রতিটি দরিদ্র মানুষই নিজের ভাগ্য বদলাতে পারে। এই প্রকল্পকে আরও বিস্তৃত করতে প্রয়োজন মানুষের সহযোগিতা। আপনার ছোট একটি অবদানও কারও পুরো পরিবারের জীবন বদলে দিতে পারে। আসুন, স্বাবলম্বী বাংলাদেশের পথে এই মানবিক উদ্যোগের পাশে দাঁড়াই।...
দান করুণ
নিরাপদ নলকূপ স্থাপন
নিরাপদ নলকূপ স্থাপন
দেশের বহু প্রত্যন্ত গ্রামে নিরাপদ পানির অভাব আজও নীরব কষ্টের কারণ। কোথাও পুরো গ্রামের ভরসা মাত্র একটি টিউবওয়েল সেই পানির জন্য সারাদিন লাইনে দাঁড়ানো, আর পর্দানশীন মা-বোনদের বোরকা পরে মাইলের পর মাইল হাঁটা। গোসল থেকে শুরু করে দৈনন্দিন কাজ সবখানেই পানির সংকট তাদের জীবনকে করে তোলে কঠিন ও ক্লান্তিকর। এই বাস্তবতা বদলাতে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ চালু করেছে প্রজেক্ট: গভীর নলকূপ স্থাপন। যেখানে টিউবওয়েল নেই, সেখানে নতুন স্থাপন; আর যেখানে পানি আছে কিন্তু সুপেয় নয়, সেখানে যাচাই-বাছাই করে গভীর নলকূপ বসানো হয়। প্রতিটি এলাকায় পানির উৎস ও ভূগর্ভস্থ পানির মান পরীক্ষা করেই স্থান নির্ধারণ করা হয়, যেন দীর্ঘমেয়াদে মানুষ নিরাপদ পানি পায়। এখন পর্যন্ত ১৩০টিরও বেশি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে, যার ব্যয় প্রায় ১২ লক্ষ টাকা,আলহামদুলিল্লাহ।এই প্রকল্পের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষের জীবনমান উন্নত হয়েছে, আর মানুষের ভালোবাসা ও সাড়া আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি টিউবওয়েল স্থাপনের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি পরিবারকে সুপেয় পানির আওতায় আনার লক্ষ্যেই আমরা অটল, ইনশাআল্লাহ।...
দান করুণ
স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম
স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম
প্রজেক্ট: স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ-এর একটি নতুন ও সময়োপযোগী উদ্যোগ, যার লক্ষ্য যুবসমাজকে বাস্তবমুখী দক্ষতায় দক্ষ করে গড়ে তোলা। এই প্রোগ্রামের আওতায় সাংবাদিকতা, গণযোগাযোগ, ডিজিটাল মিডিয়া, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ইংলিশ স্পোকেন—সবকিছু একত্রে হাতে-কলমে শেখানো হয়, যাতে একজন শিক্ষার্থী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মিডিয়া জগতে প্রবেশ করতে পারে এবং দ্বীনের খেদমতের পাশাপাশি হালাল উপার্জনের পথ তৈরি করতে পারে।এই স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে বর্তমানে তিনটি কোর্স চালু রয়েছে—এক বছর মেয়াদী পূর্ণাঙ্গ ডিপ্লোমা কোর্স, দুই মাস মেয়াদী ইন্টেনসিভ কোর্স এবং দুই সপ্তাহের আবাসিক শর্ট কোর্স। প্রতিটি কোর্সে স্টুডিও ও ফিল্ড জার্নালিজম, লাইভ প্রেজেন্টেশন, স্ক্রিপ্ট রাইটিং, ভয়েস ওভার, প্যাকেজ নিউজ, ভ্লগ, মোবাইল জার্নালিজম (MOJO), ভিডিও-অডিও এডিটিং, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা শেখানো হয়। পাশাপাশি ফটোশপ, ক্যানভা, প্রিমিয়ার প্রো, ক্যাপকাটসহ গ্রাফিক্স ও ভিডিও এডিটিং টুলসের বাস্তব প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।এই প্রজেক্টটি কোনো এককালীন আয়োজন নয়; বরং এটি ধারাবাহিকভাবে চলমান একটি স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম। নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী বছরে বিভিন্ন মেয়াদের কোর্স চালু থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের বিশ্বাস, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও নৈতিক মানবসম্পদ তৈরি হবে, যারা সমাজ ও দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে আনবে।...
দান করুণ
প্রজেক্টঃ দুর্যোগ ও পুনর্বাসন সহায়তা
প্রজেক্টঃ দুর্যোগ ও পুনর্বাসন সহায়তা
সিলেটের ভয়াবহ বন্যায় যখন মানুষের জীবন একেবারে থমকে গিয়েছিল, ঠিক তখনই প্রজেক্টঃ দুর্যোগ ও পুনর্বাসন সহায়তা–এর আওতায় হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ ও উই আর ওয়ান ফাউন্ডেশন যৌথভাবে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ায়। কুরবানির গোশত বিতরণের কর্মসূচির মাঝেই আকস্মিক এই দুর্যোগের খবর পেয়ে, আমরা দ্রুত সিলেটের গোয়াইনঘাট এলাকায় পৌঁছে যাই এবং প্রথম ধাপে জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়সহ মোট ৫০০ জন বন্যার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। প্রতিটি ত্রাণ প্যাকেটে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, লবণ, শুকনো খাবার, জরুরি ওষুধ ও নগদ সহায়তা অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা বানভাসি মানুষের নিত্যদিনের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করেছে। খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তার মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করেছি ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে। প্রজেক্টঃ দুর্যোগ ও পুনর্বাসন সহায়তার লক্ষ্য শুধু ত্রাণ বিতরণে সীমাবদ্ধ নয়; ভবিষ্যতে দুর্গত মানুষের পুনর্বাসন ও দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা নিশ্চিত করাও এর অংশ। সিলেটের এই কার্যক্রম আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি বাস্তব উদাহরণ, যা ইনশাআল্লাহ আগামীতেও দেশের যে কোনো দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় অব্যাহত থাকবে।...
দান করুণ
অসহায় শিশুদের শিক্ষা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা
অসহায় শিশুদের শিক্ষা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা
মিশরে গাজার শিশুদের জন্য শিক্ষা সহায়তা হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ মিশরে আশ্রয় নেওয়া গাহাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ মিশরে আশ্রয় নেওয়া গাজার শিশুদের জন্য আবারও চালু করেছে, অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া আল মাজিদ মডেল একাডেমি। এখানে বর্তমানে প্রায় ৩০০ শিশু পড়াশোনা করছে।কী কী করা হয়েছে:মিশরে গাজার শিশুদের জন্য শিক্ষা সহায়তাহাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ মিশরে আশ্রয় নেওয়া গাজার শিশুদের জন্য আবারও চালু করেছে, অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া আল মাজিদ মডেল একাডেমি। এখানে বর্তমানে প্রায় ৩০০ শিশু পড়াশোনা করছে।কী কী করা হয়েছে:মিশরে গাজার শিশুদের জন্য শিক্ষা সহায়তাহাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ মিশরে আশ্রয় নেওয়া গাজার শিশুদের জন্য আবারও চালু করেছে, অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া আল মাজিদ মডেল একাডেমি। এখানে বর্তমানে প্রায় ৩০০ শিশু পড়াশোনা করছে।কী কী করা হয়েছে:মিশরে গাজার শিশুদের জন্য শিক্ষা সহায়তাহাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ মিশরে আশ্রয় নেওয়া গাজার শিশুদের জন্য আবারও চালু করেছে, অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া আল মাজিদ মডেল একাডেমি। এখানে বর্তমানে প্রায় ৩০০ শিশু পড়াশোনা করছে।কী কী করা হয়েছে:মিশরে গাজার শিশুদের জন্য শিক্ষা সহায়তাহাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ মিশরে আশ্রয় নেওয়া গাজার শিশুদের জন্য আবারও চালু করেছে, অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া আল মাজিদ মডেল একাডেমি। এখানে বর্তমানে প্রায় ৩০০ শিশু পড়াশোনা করছে।কী কী করা হয়েছে:মিশরে গাজার শিশুদের জন্য শিক্ষা সহায়তাহাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ মিশরে আশ্রয় নেওয়া গাজার শিশুদের জন্য আবারও চালু করেছে, অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া আল মাজিদ মডেল একাডেমি। এখানে বর্তমানে প্রায় ৩০০ শিশু পড়াশোনা করছে।কী কী করা হয়েছে:মিশরে গাজার শিশুদের জন্য শিক্ষা সহায়তাহাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ মিশরে আশ্রয় নেওয়া গাজার শিশুদের জন্য আবারও চালু করেছে, অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া আল মাজিদ মডেল একাডেমি। এখানে বর্তমানে প্রায় ৩০০ শিশু পড়াশোনা করছে।কী কী করা হয়েছে:মিশরে গাজার শিশুদের জন্য শিক্ষা সহায়তাহাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ মিশরে আশ্রয় নেওয়া গাজার শিশুদের জন্য আবারও চালু করেছে, অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া আল মাজিদ মডেল একাডেমি। এখানে বর্তমানে প্রায় ৩০০ শিশু পড়াশোনা করছে।কী কী করা হয়েছে:মিশরে গাজার শিশুদের জন্য শিক্ষা সহায়তাহাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ মিশরে আশ্রয় নেওয়া গাজার শিশুদের জন্য আবারও চালু করেছে, অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া আল মাজিদ মডেল একাডেমি। এখানে বর্তমানে প্রায় ৩০০ শিশু পড়াশোনা করছে।কী কী করা হয়েছে:...
দান করুণ
যাকাত তহবিল
যাকাত তহবিল
চরমুনাইয়ে দরিদ্র মহিলাদের সেলাই মেশিন প্রদানআলহামদুলিল্লাহ, প্রজেক্ট স্বাবলম্বী করণের উদ্দ্যোগে আমরা গত ২৪/০৬/২৫ ইং তারিখে চরমুনাইয়ের দরিদ্র পীড়িত ৫০ মহিলা কে অরিজিনাল সিংগার সেলাই মেশিন প্রদান করি, যেগুলো তাদের হয়ে তাদের স্বামী/বাবা/ভাইয়েরা আমাদের কাছ থেকে গ্রহণ করে। উক্ত কার্যক্রমে চরমুনাই মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ এবং স্টাফরা সার্বিক সহযোগীতা করেন এবং পীর সাহেব চরমুনাই জনাব রেজাউল করীম দাঃবাঃ নিজ হাতে প্রাপ্যদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন, আলহামদুলিল্লাহ।...
দান করুণ
নিয়মিত অনুদান
নিয়মিত অনুদান
পুরুষদের জন্য অটো রিকশা ও ভ্যান সরবরাহ করা হয়, যা তাদের পরিবহন সেবার মাধ্যমে আয় করার সুযোগ দেয়। এই উদ্যোগটি তাদের জীবিকার একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম প্রদান করে এবং তাদের জীবনমানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।অর্থ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র প্রদানঅর্থ সহায়তা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র প্রদান করে, আমরা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করি। বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগ শুরু করতে ও জরুরি প্রয়োজন মেটাতে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।প্রজেক্টঃ স্বাবলম্বী করণ এর উপকারিতাএই প্রকল্পটি গ্রামীণ এলাকার মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।দরিদ্র মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের সুযোগ সৃষ্টি করে দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়তা করছে।মহিলাদের স্বাবলম্বী করার মাধ্যমে তাদের পরিবার ও সমাজে তাদের অবস্থান সুসংহত করছে।স্থানীয় উৎপাদন ও সেবার মাধ্যমে অর্থনৈতিক চক্র বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সহায়ক হচ্ছে।...
দান করুণ
সাধারণ তহবিল
সাধারণ তহবিল
এছাড়াও, গাজার ৬টি হাসপাতালে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতিতে, বাংলাদেশের একমাত্র দল হিসেবে তারা চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে।বিশ্বের গণমাধ্যমে টিম হাফেজ্জীর সাফল্যএই ঐতিহাসিক মানবিক কার্যক্রম শুধু গাজার মাটিতে নয়, ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের দরবারেও।আল-জাজিরা টিম হাফেজ্জীর কার্যক্রম নিয়ে ৭ মিনিটের লাইভ ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে।বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রগুলোও প্রকাশ করেছে তাদের এই সাহসিকতা ও মানবিকতার গল্প।আপনার সহায়তায় বেঁচে উঠবে একটি জীবনএই পথচলা একা সম্ভব নয়! আপনার সহায়তাই আমাদের শক্তি।গাজার একটি শিশুর ক্ষুধা, একটি মায়ের কান্না, একটি পরিবারের আশ্রয়হীনতা —আপনার একটিমাত্র দান তাদের জীবনে আনতে পারে নতুন ভোরের আলো।আপনার দান হতে পারে—একটি খাবারের প্যাকেটএকটি তাবুএকটি শিশুর দুধের বোতলপ্রতিটি দান গাজার মানুষের জীবনে বেঁচে থাকার আশার আলো জ্বালাবে।তাই আজই যুক্ত হোন টিম হাফেজ্জীর মানবিক অভিযানে,আসুন, গাজার অসহায় মানুষের কান্না মুছে, তাদের মুখে হাসি ফোটাই।...
দান করুণ