donate cover

আমাদের প্রকল্পসমূহ

ফিলিস্তিনের গাজায় জরুরী সহায়তা
ফিলিস্তিনের গাজায় জরুরী সহায়তা
গাজার নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে টিম হাফেজ্জীর পথচলা শুরু হয় সীমান্তবর্তী শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনের মাধ্যমে। রাষ্ট্রদূত, রেড ক্রিসেন্ট ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় অল্প সময়ের মধ্যেই কয়েক কোটি টাকার বেশি মানবিক সহায়তা যেমন খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি, আর্থিক সহায়তা ও জরুরি সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়। ধ্বংসস্তূপের মাঝেও গড়ে তোলা হয় ‘হাফেজ্জী ক্যাম্প’। সেখানে প্রায় ৫০০ পরিবার আশ্রয় পায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদ ও মাদরাসা পুনর্গঠনের কাজও পরিচালিত হয়।টিম হাফেজ্জীর এই বিস্তৃত কার্যক্রম নিয়ে ফিলিস্তিনের জাতীয় টেলিভিশন "ফিলিস্তান টিভি" তেও প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।গাজা ও মিশরে টিমের কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা সহায়তা, রান্না করা খাবার বিতরণ, সবজি প্যাকেজ, শীতবস্ত্র, ইফতার ও ঈদ উপহার বিতরণ পর্যন্ত। শিশুদের শিক্ষার আলো ফিরিয়ে দিতে Al Majid Academy–তে ৫০০ শিশুর পড়াশোনার দায়িত্বও গ্রহণ করা হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন হামলার মধ্যেও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা জীবন ঝুঁকি নিয়ে সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে দুইজন ভাই শহীদ হয়েছেন এবং তাদের জন্য দোয়া অব্যাহত রয়েছে।এই সমন্বিত মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার অংশ হিসেবে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংস্থা Egypt Youth Circle–এর সাথেও যৌথভাবে কাজ করছে। এই সহযোগিতার মাধ্যমে গাজার রাফা বর্ডার এবং সুদানের ওয়াদি হালফা–আসওয়ান করিডোর হয়ে আগত মাজলুম গাজা ও সুদানবাসীদের মাঝেও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তাদের মাঝে ইফতার বিতরণের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারকে প্রায় ২৭ কেজি ওজনের খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন ডক্টর মামদুহ। তিনি Egypt Youth Circle–এর ডিরেক্টর এবং Egypt Human Rights Organization–এর ইকোনমিক ডিপার্টমেন্টের প্রধান। তিনি মিশর সরকারের আস্থাভাজন একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।টিম হাফেজ্জীর পক্ষ থেকে মাওলানা ইবরাহিম খলিল, মুহাম্মদ রাজ, মাওলানা মুহসিন বিন মুঈন, মাওলানা জমির মাশরুর ও মাওলানা জামি সরাসরি উপস্থিত থেকে এই খেদমতের সাথে সম্পৃক্ত আছেন।স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি অনুদান যাচাই করা হয় DVC সিস্টেমে। এর তদারকিতে আছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও অভিজ্ঞ চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট। রেড ক্রিসেন্ট, আল-আজহার ও ফিলিস্তিনি দূতাবাসের স্বীকৃতি পাওয়া এই উদ্যোগ আজ বাংলাদেশি মানবসেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।মহান আল্লাহ তাআলা যেন এই সামান্য খেদমতকে কবুল করেন, সংশ্লিষ্ট সকলকে উত্তম প্রতিদান দান করেন এবং মাজলুম ভাইবোনদের জন্য রহমত, নিরাপত্তা ও স্বস্তির দরজা খুলে দেন। সবার কাছে দোয়া প্রার্থী।...
বিস্তারিত
সুদানে জরুরী সহায়তা
সুদানে জরুরী সহায়তা
সুদান আজ ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে ডুবে আছে যুদ্ধ, গৃহহীনতা ও ধ্বংসের চাপে লক্ষ লক্ষ পরিবার দিশেহারা। SAF ও RSF সংঘর্ষ দেশটিকে ভেঙে দিয়েছে এমনভাবে যে ২০২৪ সালে ১১.৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ ঘর হারিয়েছে, যাদের অর্ধেকই শিশু। খাদ্য সংকট, অপুষ্টি, কলেরা ও মহামারী সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ মিলিয়ন শিশু এখন মানবিক সহায়তার জন্য আকুল আর্তি জানাচ্ছে।অপরদিকে, স্বাস্থ্যসেবা প্রায় ধ্বসে পড়েছে; আশঙ্কাজনকভাবে ৭০% হাসপাতাল অকার্যকর। তবুও UNICEF, WHO এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহায়তা প্রবাহিত হচ্ছে, পানীয় জল, খাবার, মেডিকেল সাপোর্ট ও শিশু সুরক্ষার মাধ্যমে লাখো মানুষ বাঁচার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।এই কঠিন সময়ে Hafezzi Charitable Society of Bangladesh (HCSB) সুদানের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। গাজায় অব্যাহত সহায়তার ধারাবাহিকতায়, সুদানেও খাবার, পানি এবং চিকিৎসা সহায়তার প্রোগ্রাম শুরু করেছে HCSB, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও মানবতার কল্যাণকে কেন্দ্র করে। শিশুদের জীবনরক্ষা, ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যসেবাকে বাঁচানো এবং পুনর্গঠনের দীর্ঘ পথচলা, সব ক্ষেত্রেই এখন আপনার সাহায্য অপরিহার্য। আসুন, সুদানের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য এগিয়ে যাই।...
বিস্তারিত
লেবাননে জরুরী সহায়তা
লেবাননে জরুরী সহায়তা
টিম হাফেজ্জীর লেবাননে জরুরী সহায়তামানবতার সেবায় আন্তর্জাতিক পরিসরে কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (HCSB) বিশ্বের ২৫টিরও বেশি দেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা AICT GLOBAL-এর সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারক (Memorandum of Understanding - MOU) সম্পন্ন করেছে।এই চুক্তির মাধ্যমে লেবাননে উভয় প্রতিষ্ঠানের যৌথ মানবিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এর ফলে যুদ্ধ ও মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে আরও সমন্বিত, কার্যকর এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।লেবাননের বর্তমান মানবিক পরিস্থিতি২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া নতুন দফার সংঘাত লেবাননকে আবারও গভীর মানবিক সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। টানা বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ এবং সংঘর্ষের ফলে দেশটির বহু এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সর্বশেষ আন্তর্জাতিক তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে ৩,৭০০-এরও বেশি মানুষ নিহত, ১১,৭০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এছাড়া প্রায় ১০ থেকে ১১ লাখ মানুষ কোনো না কোনো সময়ে নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু পরিবার নিজ এলাকায় ফিরে গেলেও হাজার হাজার মানুষ এখনও বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন, কারণ তাদের বসতবাড়ি ধ্বংস হয়েছে অথবা নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।দক্ষিণ লেবাননের বহু শহর ও গ্রামে আবাসিক ভবন, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, সড়ক এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসা, শিক্ষা এবং নিরাপদ আশ্রয়ের তীব্র সংকটে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, নারী, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং দরিদ্র পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতের কারণে শিশুদের ওপরও ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে এবং মানবিক সহায়তার প্রয়োজন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।HCSB কীভাবে কাজ করবে?AICT GLOBAL-এর সঙ্গে সম্পাদিত এই চুক্তির আওতায় হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ লেবাননে স্থানীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন মানবিক কর্মসূচি পরিচালনা করবে। মাঠপর্যায়ের সকল কার্যক্রমে HCSB-এর নিজস্ব ব্যানার, ব্র্যান্ডিং এবং অফিসিয়াল এপ্রোন ব্যবহার করা হবে, যাতে উপকারভোগীরা সহজেই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শনাক্ত করতে পারেন এবং সহায়তা কার্যক্রম স্বচ্ছ ও সুসংগঠিতভাবে পরিচালিত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে নিম্নলিখিত মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে—১. জরুরি খাদ্য ও ত্রাণ সহায়তা।২. অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা।৩. চিকিৎসাসেবা ও স্বাস্থ্য সহায়তা।৪. এতিম ও অসহায় শিশুদের শিক্ষা সহায়তা।৫. নারী ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের পুনর্বাসন কার্যক্রম।৬. দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানভিত্তিক প্রকল্প।৭. দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়ন ও কমিউনিটি পুনর্গঠন উদ্যোগ।প্রতিটি কার্যক্রম স্থানীয় চাহিদা নিরূপণ, মানবিক নীতিমালা এবং অংশীদার সংস্থার সমন্বয়ের ভিত্তিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে।আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে মানবতার সেবাAICT GLOBAL-এর সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই সহযোগিতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, স্থানীয় বাস্তবতা এবং মানবিক মূল্যবোধকে একত্রিত করে লেবাননের সংকটাপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।আমরা বিশ্বাস করি, মানবতার সেবার কোনো সীমান্ত নেই। মানুষের প্রয়োজন যেখানে, আমাদের দায়িত্ব সেখানে পৌঁছে যাওয়া।হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ সকল দাতা, শুভানুধ্যায়ী, স্বেচ্ছাসেবক ও অংশীদারদের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছে, যাতে এই যৌথ মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে লেবাননের যুদ্ধাহত, বাস্তুচ্যুত ও অসহায় মানুষের জীবনে আশা, স্বস্তি এবং পুনর্গঠনের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করা যায়, ইনশাআল্লাহ।...
বিস্তারিত
হাফেজ্জী শিক্ষা প্রকল্প
হাফেজ্জী শিক্ষা প্রকল্প
হাফেজ্জী শিক্ষা প্রকল্পমৃত্যুর পর মানুষের সব আমল একদিন থেমে যায়। নামাজ, রোজা, নফল ইবাদত—সবকিছুরই সমাপ্তি ঘটে। এমনকি জীবদ্দশায় করা অনেক দান-সদকাও একসময় শেষ হয়ে যায়। কিন্তু কিছু আমল আছে, যার প্রতিদান মৃত্যুর পরও অব্যাহত থাকে। ইসলামে একে বলা হয় **সাদাকায়ে জারিয়া**—এমন একটি নেকির ধারা, যা কবরের নিঃসঙ্গতাতেও মানুষের আমলনামায় সওয়াব পৌঁছে দিতে থাকে।আর সেই সাদাকায়ে জারিয়ার অন্যতম উত্তম মাধ্যম হলো ইলম অর্জনে সহযোগিতা করা।একটি যুদ্ধ শুধু ঘরবাড়ি ধ্বংস করে না, ধ্বংস করে একটি প্রজন্মের স্বপ্ন, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ। আবার আমাদের নিজেদের দেশেও এমন অনেক জনপদ রয়েছে, যেখানে অসংখ্য শিশু এখনো দ্বীনি শিক্ষার মৌলিক সুযোগ থেকে বঞ্চিত।স্থান ভিন্ন, বাস্তবতা ভিন্ন, কিন্তু সংকট একটাই—আলোর অভাব।সেই আলো পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত বুজুর্গ হযরত মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর রহ.-এর নামে প্রতিষ্ঠিত, দেশের প্রথম নিবন্ধিত সেবামূলক সংস্থা হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের দিকনির্দেশনায় শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।গাজার খান ইউনুসে কোরআনের আলো২০২৩ সাল থেকে চলমান যুদ্ধ গাজার অসংখ্য পরিবারকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। অনেক শিশু হারিয়েছে তাদের বাবা-মাকে, অনেক পরিবার হারিয়েছে তাদের আশ্রয় ও নিরাপত্তা।এই কঠিন বাস্তবতার মাঝেও গাজায় জরুরী সহায়তা প্রকল্পের পাশাপাশি, হাফেজ্জী পরিচালিত একটি মাদ্রাসায় আজ তিন শতাধিক শিশু কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করছে। তাদের অনেকের বাবা শহীদ হয়েছেন, কেউ গুরুতর আহত হয়ে কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন।তবুও তারা কোরআনকে ছেড়ে দেয়নি।ধ্বংসস্তূপের মাঝেও সেখানে প্রতিদিন কোরআনের তিলাওয়াত ধ্বনিত হয়। শিক্ষক আছেন, পাঠ চলছে, আর নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে জ্বলছে ঈমান ও জ্ঞানের আলো। উত্তরবঙ্গের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মক্তব পরিচালনাএবার আসি আমাদের নিজের দেশে।লালমনিরহাটের আঙ্গুরপোতা, দহগ্রাম, তিন বিঘা করিডোরসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে আজও দ্বীনি শিক্ষার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।এই অঞ্চলগুলোতেই টিম হাফেজ্জী প্রতিষ্ঠা করেছে ১০টি মক্তব। বর্তমানে সেখানে সাত শতাধিক শিশু কোরআন শিক্ষা, ইসলামের মৌলিক জ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষায় আলোকিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।দিনমজুর, কৃষক ও খেটে-খাওয়া পরিবারের এসব সন্তান হয়তো বড় কোনো প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পায় না, কিন্তু তারা যেন অন্তত কোরআনের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়—সেই লক্ষ্যেই চলছে এই প্রচেষ্টা।নীলফামারীতে দৃষ্টিহীন ও অসচ্ছল শিশুদের জন্য মাদ্রাসানীলফামারীর এই মাদ্রাসার গল্প অন্যরকম।এখানে একজন শিক্ষক নিজেই দৃষ্টিহীন। কিন্তু দৃষ্টি না থাকলেও তাঁর হৃদয়ে রয়েছে কোরআনের আলো। তিনি ব্রেইল পদ্ধতিতে শিশুদের কোরআন শিক্ষা দিচ্ছেন, কারণ তিনি বিশ্বাস করেন—চোখ না থাকলেও একজন মানুষ আল্লাহর কালামের আলো থেকে বঞ্চিত হতে পারে না।বর্তমানে এখানে দৃষ্টিহীন, ইয়াতিম ও অসচ্ছল পরিবারের ৪০ জন শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণ করছে।সংখ্যাটি হয়তো এই অঞ্চলের প্রকৃত প্রয়োজনের তুলনায় খুবই ছোট। আমরা তা জানি। তবে এটুকুই আমাদের জন্য আশার আলো যে, এই উদ্যোগকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে—যদি আপনাদের আন্তরিক দোয়া ও সহযোগিতা আমাদের সঙ্গে থাকে।আপনার সহযোগিতা কেন গুরুত্বপূর্ণ?আজ আপনি যে শিশুর শিক্ষার জন্য সহযোগিতা করবেন, হয়তো আগামীকাল সেই শিশুই একজন হাফেজে কোরআন হবে। হয়তো সে শত শত মানুষকে কোরআন শিক্ষা দেবে। হয়তো তার শিখানো কোনো শিক্ষার্থী আবার অন্যদের শেখাবে।এভাবেই একটি ছোট্ট সহযোগিতা পরিণত হতে পারে দীর্ঘস্থায়ী সওয়াবের ধারায়।গাজার সেই শিশুটি আপনার নাম জানে না।উত্তরবঙ্গের সেই শিশুটি আপনাকে চেনে না।নীলফামারীর সেই দৃষ্টিহীন শিশুটিও জানে না আপনি কে।কিন্তু আল্লাহ তাআলা জানেন।আর একজন মুমিনের জন্য সেটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।আসুন, হাফেজ্জী শিক্ষা প্রকল্পে অংশগ্রহণ করিআপনার সহযোগিতায় একজন শিশু কোরআন শিখবে, একজন শিক্ষার্থী দ্বীনের আলো পাবে, একটি পরিবার আশার নতুন দিশা খুঁজে পাবে।আজই হাফেজ্জী শিক্ষা প্রকল্পে অংশগ্রহণ করুন এবং নিজের জন্য একটি চলমান সাদাকায়ে জারিয়ার ধারা শুরু করুন।হয়তো আপনার এই ছোট্ট অবদানই কোনো শিশুর জীবন বদলে দেবে—আর সেই পরিবর্তনের প্রতিদান আপনি পেতে থাকবেন দুনিয়া ও আখিরাতে, ইনশাআল্লাহ।...
বিস্তারিত
স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প
স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প
গ্রামের দরিদ্র মানুষের জীবনে বদলের গল্প লিখছে প্রজেক্টঃ স্বাবলম্বী করণ। কেউ ঘরে বসে আয়ের স্বপ্ন দেখেন, কেউ আবার নিজের পরিবারকে অভাব থেকে মুক্ত করতে চান, এই প্রকল্প ঠিক সেই পথই তৈরি করে দিচ্ছে। সেলাই মেশিন হাতে পাওয়া একেকজন নারী নতুন করে নিজেদের জীবন গড়ছেন; আবার গবাদি পশু পেয়ে শুরু করছেন ছোটখাটো উৎপাদন ও বিক্রি। চরমুনাইয়ে ৫০ জন নারীকে অরিজিনাল সিঙ্গার সেলাই মেশিন বিতরণ ছিল এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।পুরুষদের জন্য অটো রিকশা ও ভ্যান, আর্থিক সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তাদের জীবিকায় স্থিতি আনছে। এসব উদ্যোগ শুধু আয়ের পথই খুলে দিচ্ছে না পরিবার, সমাজ ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। স্বনির্ভরতার এই যাত্রায় টিম হাফেজ্জী বিশ্বাস করে, সহায়তা পেলে প্রতিটি দরিদ্র মানুষই নিজের ভাগ্য বদলাতে পারে।এই প্রকল্পকে আরও বিস্তৃত করতে প্রয়োজন মানুষের সহযোগিতা। আপনার ছোট একটি অবদানও কারও পুরো পরিবারের জীবন বদলে দিতে পারে। আসুন, স্বাবলম্বী বাংলাদেশের পথে এই মানবিক উদ্যোগের পাশে দাঁড়াই।...
বিস্তারিত
প্রতিবন্ধী সহায়তা প্রজেক্ট
প্রতিবন্ধী সহায়তা প্রজেক্ট
অদৃশ্য মানুষের দেশ: বাংলাদেশের প্রতিবন্ধী পরিবারদের নীরব যুদ্ধবাংলাদেশে প্রতিবন্ধী মানুষ কোনো ক্ষুদ্র বা বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠী নয়। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে প্রায় ৩ কোটির কাছাকাছি মানুষ কোনো না কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বসবাস করছেন, যা মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। তবুও এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন, নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদা দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্র ও সমাজের মূল অগ্রাধিকারের বাইরে রয়ে গেছে।বর্তমানে যেসব প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সরকারি ভাতা কার্ডের আওতায় রয়েছেন, তারা মাসে মাত্র ৯০০ টাকা ভাতা পাচ্ছেন। বাস্তব জীবনে এই অর্থে এক মাসের ন্যূনতম জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব। ঢাকার মতো শহরে একদিনের যাতায়াত ভাড়া ও একটি সাধারণ দুপুরের খাবারেই এই অর্থ শেষ হয়ে যায়। গ্রামাঞ্চলের অসহায় প্রতিবন্ধী পরিবারগুলোর ক্ষেত্রেও এই টাকায় এক সপ্তাহ চলাই কঠিন।এছাড়া সবচেয়ে বেদনাদায়ক বাস্তবতা হলো—লক্ষ লক্ষ প্রতিবন্ধী মানুষ আজও কোনো সরকারি কার্ড বা নিয়মিত সহায়তার আওতায় আসেননি। তাদের নাম নেই তালিকায়, কণ্ঠ নেই অভিযোগে, চোখ নেই রাষ্ট্রের নজরে।দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিবন্ধী মানুষদের সামাজিক ও পারিবারিক নিরাপত্তাহীনতাও একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে প্রতিবন্ধী নারী ও কিশোরীরা অনেক ক্ষেত্রে নিজের আত্মীয় বা পরিচিতজনের দ্বারা যৌন নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হন। যারা বাক প্রতিবন্ধী বা মানসিক প্রতিবন্ধী, তাদের জন্য অভিযোগ করা বা বিচার চাওয়াই প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। সামাজিক নীরবতা ও লজ্জার সংস্কৃতি এসব অপরাধকে আরও আড়াল করে রাখছে।একই সঙ্গে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার অপ্রাপ্যতা প্রতিবন্ধী পরিবারগুলোর জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে। নিয়মিত চিকিৎসা, ফিজিওথেরাপি বা অকুপেশনাল থেরাপি, স্পেশাল হুইলচেয়ার ও সহায়ক যন্ত্র, বিশেষ পুষ্টি ও যত্ন—এসব প্রয়োজন থাকলেও অধিকাংশ পরিবার জানে না কোথায় যাবে বা কাকে বলবে। আর জানলেও তাদের নেই সেই আর্থিক সামর্থ্য।এই প্রেক্ষাপটে আমরা হাফেজী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (HCSB) সরাসরি মাঠে নেমে প্রতিবন্ধী পরিবারদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। টিম হাফেজ্জী দেশের বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকায় গিয়ে প্রতিবন্ধী পরিবারের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেছে, তাদের জীবনসংগ্রাম ও দুঃখ-কষ্টের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছে এবং জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে।প্রতিবন্ধী মানবিক সহায়তা প্রজেক্ট (Disability Rehabilitation Project)–এর আওতায় বর্তমানে—• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চিকিৎসা সেবা• প্রয়োজন অনুযায়ী হুইলচেয়ার ও সহায়ক উপকরণ বিতরণ• ফিজিওথেরাপি ও থেরাপি সাপোর্ট• পরিবারের সদস্যদের সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ• প্রতিবন্ধী শিশুদের জীবনমান উন্নয়ন• নির্যাতনের শিকারদের নীরব সুরক্ষা ও সহায়তাচলমান রয়েছে।এছাড়াও এই প্রজেক্টের আওতায় প্রতিবন্ধী পরিবারগুলোর খাদ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রমজানে ইফতার ও মাসব্যাপী বাজার সহায়তা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় পোশাক বিতরণ এবং কুরবানির মৌসুমে কুরবানির গরু/মাংস বিতরণ কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। লক্ষ্য একটাই—উৎসবগুলো যেন প্রতিবন্ধী পরিবারদের জন্য লজ্জা বা বঞ্চনার নয়, বরং সম্মানের ও আনন্দের হয়।প্রতিবন্ধী মানুষদের সহায়তা কোনো দয়া বা করুণা নয়—এটি রাষ্ট্র, সমাজ ও মানবতার নৈতিক দায়িত্ব। যে সমাজ তার সবচেয়ে দুর্বল মানুষদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে পারে না, সে সমাজ কখনো সত্যিকারের উন্নত হতে পারে না।হাফেজী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (HCSB) ভবিষ্যতেও আরও বেশি প্রতিবন্ধী পরিবারের কাছে পৌঁছাতে এবং টেকসই পুনর্বাসন ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাবে—কথা দিয়ে নয়, কর্ম দিয়ে।এই কার্যক্রমকে টেকসই ও বিস্তৃত করতে সমাজের সামর্থ্যবান মানুষদের সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রতিবন্ধী পরিবারগুলোর চিকিৎসা, থেরাপি, হুইলচেয়ারসহ সহায়ক উপকরণ, নিরাপত্তা সহায়তা এবং রমজান–ঈদ–কুরবানি মৌসুমি মানবিক কার্যক্রমে পাশে থাকতে আপনার যাকাত, ফিতরা, সদকায়ে জারিয়া এবং সাধারণ দান দিয়ে সহযোগিতা করুন। যারা নিয়মিতভাবে এই মানবিক কাজে যুক্ত থাকতে চান, তারা অটো-পে সুবিধার মাধ্যমে প্রতিদিন/মাসে ধারাবাহিক দান করে এই প্রজেক্টকে শক্তিশালী করতে পারেন। আপনার একটি দানই কারও চিকিৎসা, চলাচল, সম্মান এবং নিরাপদ জীবনের পথ খুলে দিতে পারে।...
বিস্তারিত
নওমুসলিম ওয়েলফেয়ার প্রোগ্রাম
নওমুসলিম ওয়েলফেয়ার প্রোগ্রাম
একজন মানুষ যখন সত্যের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিবার ও সমাজ ছেড়ে ইসলামের ছায়ায় আশ্রয় নেন, তখন তার নতুন জীবনের পথটা হয়ে যায় আরও কঠিন। ঠিক সেই মুহূর্তেই টিম এইচসিএসবির নও মুসলিম কল্যাণ কর্মসূচি তাদের পাশে দাঁড়ায়। স্বাস্থ্যসেবার অভাব, আর্থিক অনটন ও মানসিক চাপ, এই সব চ্যালেঞ্জে জর্জরিত নও মুসলিমদের জরুরি চিকিৎসা, ব্যয়বহুল মেডিকেল সহায়তা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌঁছে দিচ্ছে এই উদ্যোগ।তাদের জীবনকে স্থির ও স্বাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন, গবাদিপশু, ব্যবসায়িক সহায়তা ও আর্থিক অনুদান প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি ইসলামী জ্ঞান ও সাধারণ শিক্ষায় এগিয়ে দিতে মক্তব, মসজিদভিত্তিক স্কুল ও শিক্ষা কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। এমনকি নিরাপদ পানির সংকটে থাকা নও মুসলিম পরিবারগুলোর জন্য নলকূপ স্থাপনের ব্যবস্থাও করছে এই কর্মসূচি।এই সব প্রচেষ্টা নও মুসলিম ভাই-বোনদের নতুন জীবনে আলোও সাহস জোগাচ্ছে। আর আপনার দান ও সহযোগিতাই পারে এই মানবিক মিশনকে আরও বিস্তৃত করতে, আরও অনেক জীবনে পরিবর্তন আনতে।...
বিস্তারিত
প্রজেক্টঃ দুর্যোগ ও পুনর্বাসন সহায়তা
প্রজেক্টঃ দুর্যোগ ও পুনর্বাসন সহায়তা
প্রজেক্ট: দুর্যোগ ও পুনর্বাসন সহায়তাবাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং বর্ষা মৌসুমে উজানের পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে মানুষের জীবন ও জীবিকা মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বিশুদ্ধ পানির সংকট, খাদ্যাভাব, পানিতে ডুবে মৃত্যু, সাপের কামড়, বিদ্যুৎস্পৃষ্টসহ নানা দুর্ঘটনায় অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরও ভেঙে যাওয়া ঘরবাড়ি ও জীবিকার ক্ষতির কারণে অসংখ্য পরিবার দীর্ঘদিন স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে না।এমন মানবিক সংকটে শুরু থেকেই মানুষের পাশে রয়েছে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ। দুর্যোগ ও পুনর্বাসন সহায়তা প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম, ত্রাণ বিতরণ, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা এবং বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি।এ বছরও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, বাঁশখালীসহ বিভিন্ন বন্যাকবলিত অঞ্চলে টিম হাফেজ্জী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই মানবিক উদ্যোগে আপনাকেও পাশে থাকার আন্তরিক আহ্বান জানাই। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী অনুদান বা স্বেচ্ছাসেবার মাধ্যমে আপনিও হতে পারেন এই কল্যাণযাত্রার একজন গর্বিত অংশীদার।...
বিস্তারিত
প্রজেক্ট জান্নাতের খোজে ( চিকিৎসা সহায়তা )
প্রজেক্ট জান্নাতের খোজে ( চিকিৎসা সহায়তা )
একজন অর্ধ-মৃত বৃদ্ধ ভিক্ষুকের চিকিৎসা দিয়ে শুরু হয়েছিল যে ছোট উদ্যোগ, আজ সেই প্রচেষ্টাই “প্রজেক্ট জান্নাতের খোজে” নামে দেশের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সবচেয়ে শক্ত ভরসাগুলোর একটি। হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ পরিচালিত এই প্রকল্পটি কেবল রোগীদের চিকিৎসাই দেয় না এটি দেয় নতুন জীবনের আশা। হার্ট সার্জারি, ক্যান্সার চিকিৎসা, কিডনি–লিভারের জটিল অপারেশন। গত বছরই অর্ধকোটি টাকার বেশি চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, যা অসংখ্য পরিবারের জীবন বদলে দিয়েছে।ইজতেমা, চরমুনাই, বান্দরবানসহ দেশের দুর্গম অঞ্চলে নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে প্রকল্পটি হাজার হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দিয়েছে। ম্রো উপজাতি থেকে শুরু করে শহরের বস্তির পরিবার, যেখানে চিকিৎসা পৌঁছায় না, সেখানে দাঁড়িয়েছে টিম হাফেজ্জী। ২০ জনেরও বেশি ডাক্তার, নার্স ও সেচ্ছাসেবকের দল দুর্ভোগে থাকা মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে দেখিয়েছে, মানবতার কাজ সীমা মানে না।প্রজেক্ট জান্নাতের খোজে এখন আরও বড় স্বপ্ন নিয়ে এগোচ্ছে, আরো দরিদ্র রোগীর পাশে দাঁড়ানো, দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা বিস্তৃত করা, এবং শীঘ্রই ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সাথেও সরাসরি কাজ করা। আপনার দান, জাকাত ও অংশগ্রহণ এই বিশাল মানবিক উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। আসুন, আমরা সবাই মিলে অসহায় মানুষের পথে আলো ছড়িয়ে দিই।...
বিস্তারিত
স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম
স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম
প্রজেক্ট: স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ-এর একটি নতুন ও সময়োপযোগী উদ্যোগ, যার লক্ষ্য যুবসমাজকে বাস্তবমুখী দক্ষতায় দক্ষ করে গড়ে তোলা। এই প্রোগ্রামের আওতায় সাংবাদিকতা, গণযোগাযোগ, ডিজিটাল মিডিয়া, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ইংলিশ স্পোকেন—সবকিছু একত্রে হাতে-কলমে শেখানো হয়, যাতে একজন শিক্ষার্থী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মিডিয়া জগতে প্রবেশ করতে পারে এবং দ্বীনের খেদমতের পাশাপাশি হালাল উপার্জনের পথ তৈরি করতে পারে। এছাড়াও এ প্রকল্পের আওতায় দুস্থ, বিধব, প্রতিবন্ধী পরিবারের নারীদের সেলাই মেশিনের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।এই স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে বর্তমানে তিনটি কোর্স চালু রয়েছে—এক বছর মেয়াদী পূর্ণাঙ্গ ডিপ্লোমা কোর্স, দুই মাস মেয়াদী ইন্টেনসিভ কোর্স এবং দুই সপ্তাহের আবাসিক শর্ট কোর্স। প্রতিটি কোর্সে স্টুডিও ও ফিল্ড জার্নালিজম, লাইভ প্রেজেন্টেশন, স্ক্রিপ্ট রাইটিং, ভয়েস ওভার, প্যাকেজ নিউজ, ভ্লগ, মোবাইল জার্নালিজম (MOJO), ভিডিও-অডিও এডিটিং, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা শেখানো হয়। পাশাপাশি ফটোশপ, ক্যানভা, প্রিমিয়ার প্রো, ক্যাপকাটসহ গ্রাফিক্স ও ভিডিও এডিটিং টুলসের বাস্তব প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।এই প্রজেক্টটি কোনো এককালীন আয়োজন নয়; বরং এটি ধারাবাহিকভাবে চলমান একটি স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম। নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী বছরে বিভিন্ন মেয়াদের কোর্স চালু থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের বিশ্বাস, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও নৈতিক মানবসম্পদ তৈরি হবে, যারা সমাজ ও দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে আনবে।...
বিস্তারিত
নিরাপদ নলকূপ স্থাপন
নিরাপদ নলকূপ স্থাপন
দেশের বহু প্রত্যন্ত গ্রামে নিরাপদ পানির অভাব আজও নীরব কষ্টের কারণ। কোথাও পুরো গ্রামের ভরসা মাত্র একটি টিউবওয়েল সেই পানির জন্য সারাদিন লাইনে দাঁড়ানো, আর পর্দানশীন মা-বোনদের বোরকা পরে মাইলের পর মাইল হাঁটা। গোসল থেকে শুরু করে দৈনন্দিন কাজ সবখানেই পানির সংকট তাদের জীবনকে করে তোলে কঠিন ও ক্লান্তিকর।এই বাস্তবতা বদলাতে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ চালু করেছে প্রজেক্ট: গভীর নলকূপ স্থাপন। যেখানে টিউবওয়েল নেই, সেখানে নতুন স্থাপন; আর যেখানে পানি আছে কিন্তু সুপেয় নয়, সেখানে যাচাই-বাছাই করে গভীর নলকূপ বসানো হয়। প্রতিটি এলাকায় পানির উৎস ও ভূগর্ভস্থ পানির মান পরীক্ষা করেই স্থান নির্ধারণ করা হয়, যেন দীর্ঘমেয়াদে মানুষ নিরাপদ পানি পায়। এখন পর্যন্ত ১৩০টিরও বেশি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে, যার ব্যয় প্রায় ১২ লক্ষ টাকা,আলহামদুলিল্লাহ।এই প্রকল্পের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষের জীবনমান উন্নত হয়েছে, আর মানুষের ভালোবাসা ও সাড়া আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি টিউবওয়েল স্থাপনের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি পরিবারকে সুপেয় পানির আওতায় আনার লক্ষ্যেই আমরা অটল, ইনশাআল্লাহ।...
বিস্তারিত
শীতবস্ত্র বিতরণ প্রকল্প
শীতবস্ত্র বিতরণ প্রকল্প
শীত নামলেই দেশের বহু মানুষ তীব্র ঠান্ডায় কাঁপতে থাকে, আর সেই কষ্টের মুহূর্তেই হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি শুরু করে তাদের শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি। শহর থেকে প্রত্যন্ত উত্তর–দক্ষিণবঙ্গ পর্যন্ত, দলটি ছুটে যায় সেইসব মানুষের কাছে যাদের কাছে নেই উষ্ণ পোশাক বা নিরাপদ আশ্রয়। ইতিমধ্যেই তারা উত্তরবঙ্গে কম্বল বিতরণ শুরু করেছে এবং গত বছর প্রায় ১০,০০০ উচ্চমানের কম্বল পৌঁছে দিয়েছিল সবচেয়ে অসহায় মানুষের হাতে।এই এক টুকরো কম্বল শুধু ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে না, দেয় আশ্বাস যে তারা একা নয়। শীতবস্ত্র পাওয়া মানুষের মনে জন্মায় নতুন সাহস ও আত্মবিশ্বাস, কমে ঠান্ডাজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি। ঠিক এই অনুভূতিই প্রকল্পটিকে একটি মানবিক দায়িত্বের চেয়েও বেশি একটি উষ্ণতার বার্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।আগামীতেও আরও বড় পরিসরে এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য তাদের। আর সেই পথ সুগম হয় মানুষের দান, স্বেচ্ছাসেবী প্রচেষ্টা এবং ব্যবহৃত শীতবস্ত্রের মাধ্যমে। সবাই মিলে একটুখানি উষ্ণতা ছড়িয়ে দিতে পারলেই, অনিশ্চিত শীত কিছু মানুষের কাছে হয়ে ওঠে একটু সহনীয় ইনশাআল্লাহ।...
বিস্তারিত
রমজানের মানবিক সহায়তা
রমজানের মানবিক সহায়তা
রমজানকে ঘিরে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের মানবিক কার্যক্রম গত প্রায় ৮ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। এই সময়ে হাজার হাজার মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ এবং শত শত অসহায় পরিবারের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এক মাসের প্রয়োজনীয় রমজান বাজার। পাশাপাশি অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও হাফেজ্জীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মক্তবগুলোতে পুরো রমজানজুড়ে নিয়মিত ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।এর পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে, এবং ইফতারের সময় রাস্তায় অবস্থানরত, গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারা মানুষের হাতেও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে খাবার। শুধু দেশেই নয়, গত প্রায় দুই বছর ধরে গাজা এবং প্রায় এক বছর ধরে সুদানেও রমজানকে কেন্দ্র করে বিশেষ মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে, যেখানে চলমান সহায়তার পাশাপাশি ইফতার ও খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।বর্তমানে এই প্রজেক্টে অনুদান গ্রহণ বন্ধ থাকলেও, আমাদের পূর্ববর্তী কার্যক্রমগুলো এই উদ্যোগের ব্যাপকতা ও প্রভাবের একটি স্পষ্ট ধারণা দেয়। পরবর্তী রমজানে আমরা আবারো আমাদের "রমজানে মানবিক সহায়তা" নিয়ে দুস্থ অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে উপস্থিত হবো ইনশাআল্লাহ। আপনি চাইলে আমাদের অন্যান্য চলমান প্রকল্পগুলো দেখতে পারেন।...
বিস্তারিত
কুরবানীর গোস্ত বিতরণ
কুরবানীর গোস্ত বিতরণ
কোরবানির গোশত বিতরণ কর্মসূচিটিম হাফেজ্জীর পথচলার শুরু থেকেই “কোরবানির গোশত বিতরণ” আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানবিক উদ্যোগ। প্রতি বছর পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলে কোরবানির আয়োজন করে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে গোশত বিতরণ করে আসছি। এর মাধ্যমে আমরা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মাঝে ঈদের আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আলহামদুলিল্লাহ, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি করে গাজার নিপীড়িত মুসলিম উম্মাহকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।২০২৬ সালে বাংলাদেশে ৪২টি গরু ও ১৬টি খাসি কোরবানি করা হয়েছে। এছাড়া সুদানে ৩টি গরু ও ৩টি খাসি এবং মিশরে অবস্থিত গাজা ও সুদান শরণার্থী শিবিরে ১টি উট, ৮টি দুম্বা, ৪টি গরু ও ২টি খাসি কোরবানি করা হয়। পাশাপাশি গাজার বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ১৫ মণ গোশত বিতরণ করা হয়েছে।আলহামদুলিল্লাহ, আপনাদের সহযোগিতায় গত বছরও ১০০টিরও বেশি কোরবানি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছিল। ২০২৫ সালের কোরবানি কার্যক্রমে গাজায় ১০টি ছাগল, মিশরের কায়রোতে ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে ১টি উট, ২টি দুম্বা ও ১টি ভেড়া এবং বাংলাদেশে ৪২টি গরু ও ৪৫টি ছাগল কোরবানি করা হয়।এছাড়াও তার আগের বছর উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের ২৬টি গ্রামের প্রায় ২,০০০-এরও বেশি পরিবারের কাছে কোরবানির গোশত পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল, যার মাধ্যমে হাজারো মানুষ ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।ইনশাআল্লাহ, এবারও আমরা গাজা, সুদান ও বাংলাদেশের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও সংকটাপন্ন মানুষের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,“মুমিনরা পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা, দয়া ও সহানুভূতিতে একটি দেহের ন্যায়। দেহের কোনো একটি অঙ্গ ব্যথিত হলে সমগ্র দেহ জ্বর ও অনিদ্রায় তার প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে।”(সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)আজ গাজা ও সুদানে আমাদের সেই দেহেরই কিছু অংশ কঠিন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, বরং আমাদের ঈমানি কর্তব্যও।আপনাদের আস্থা, ভালোবাসা ও সহযোগিতাই আমাদের এগিয়ে চলার প্রধান প্রেরণা। আমরা আশা করি, আগামী বছরগুলোতে এই কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করতে পারব এবং আরও বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে কোরবানির আনন্দ পৌঁছে দিতে সক্ষম হব।আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে, ইনশাআল্লাহ ২০২৭ সালেও আমরা গাজা, সুদান ও বাংলাদেশের হাজারো অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এই মহতী প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব। 🤍...
বিস্তারিত
জুলাই আন্দলনে আহতদের চিকিৎসা সহায়তা
জুলাই আন্দলনে আহতদের চিকিৎসা সহায়তা
২০২৪ সালের কোটা আন্দোলনের শুরুটা ছিল শান্তিপূর্ণ, আর ঠিক সেই সময় থেকেই হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ নীরবে পাশে দাঁড়ায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের। ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচির সময় প্রচণ্ড রোদ উপেক্ষা করে তাদের কর্মীদের হাতে ছিল পানি, শরবত আর শুকনো খাবার। ন্যায্য দাবির এই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ক্লান্ত শরীর ও তৃষ্ণা মেটানোই ছিল তাদের প্রথম দায়িত্ব।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা শুরু হলে, জীবনের ঝুঁকি ও গ্রেপ্তার আতঙ্ক উপেক্ষা করে এইচসিএসবির কর্মীরা রাস্তায় রাস্তায় ছুটে বেড়ায়। তখন শুধু খাবার নয়, জরুরি চিকিৎসা সেবাও যুক্ত হয়। আহতদের কোলে তুলে হাসপাতালে নেওয়া, প্রাথমিক চিকিৎসা, এমনকি আর্থিকভাবে অসচ্ছল আহতদের হাতে নগদ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া—সবকিছুই চলতে থাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে।কারফিউ, ইন্টারনেট বন্ধ, যানবাহন অচল—সব বাধা পেরিয়েও তাদের কার্যক্রম থেমে থাকেনি। মুহাম্মাদপুর কার্যালয়ে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়ে, নামাজ ও দোয়ার পর কর্মীরা কারফিউয়ের মধ্যেই বেরিয়ে পড়ে। আন্দোলন এখনো চলমান, আর আলহামদুলিল্লাহ—এইচসিএসবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও চলমান দায়িত্ব হলো আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা। আজও তারা নিয়মিত হাসপাতালে গিয়ে আহতদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে, মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই।...
বিস্তারিত