

টিম হাফেজ্জীর পথচলার শুরু থেকেই “কোরবানীর গোস্ত বিতরণ” আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। প্রতি বছর ঈদুল আযহায় দেশের প্রত্যন্ত ও দরিদ্র পীড়িত এলাকাগুলোতে কোরবানির মাধ্যমে অসহায় মানুষের মাঝে গোস্ত বিতরণ করে আসছি। এর মাধ্যমে বছরের পর বছর আমরা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আলহামদুলিল্লাহ, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই কার্যক্রমের পরিধি বাড়িয়ে গাজার নিপীড়িত উম্মাহকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গত বছরের কার্যক্রমে গাজায় ১০টি ছাগল, মিশরের কায়রোতে ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে ১টি উট, ২টি দুম্বা ও ১টি ভেড়া এবং বাংলাদেশে ৪২টি গরু ও ৪৫টি ছাগল কোরবানি করা হয়। এছাড়াও তার আগের বছর উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের ২৬টি গ্রামের প্রায় ২০০০+ পরিবারের মাঝে কোরবানির গোস্ত পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল।
এবারও আমরা গাজা, সুদান ও বাংলাদেশের অসহায় মানুষের মাঝে কোরবানির গোস্ত বিতরণের পরিকল্পনা নিয়েছি, ইনশাআল্লাহ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “মুমিনরা পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা, দয়া ও সহানুভূতিতে একটি দেহের মতো…” (বুখারি ও মুসলিম)। আজ গাজা ও সুদানে আমাদের সেই দেহের অঙ্গগুলো কষ্টে রয়েছে। এমন সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানি দায়িত্বও বটে।
আলহামদুলিল্লাহ, গত বছর আপনাদের সহযোগিতায় ১০০টিরও বেশি কোরবানি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। আপনাদের এই আস্থা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। এবার সেই ধারাবাহিকতাকে আরও বিস্তৃত করতে চাই আমরা।
সেখানে পশুর মূল্য বেশি হওয়ায় সম্মিলিতভাবে পশু ক্রয় করে স্থানীয়ভাবে জবাই ও বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নওমুসলিম, প্রতিবন্ধী ও অসহায় পরিবারগুলোর জন্যও ওয়াজিব কোরবানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
আপনি যেভাবে অংশ নিতে পারেন:
▫️ পূর্ণ গরু – ৮৪,০০০ টাকা
▫️ গরুর এক ভাগ – ১২,০০০ টাকা
▫️ ছাগল – ১২,০০০ টাকা
▫️ খাসি – ১৫,০০০ টাকা
এছাড়াও যেকোনো পরিমাণ অর্থ দিয়ে গোস্ত বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া যাবে, ইনশাআল্লাহ।
আপনার সামান্য সহযোগিতাও কারো জীবনে ঈদের আনন্দ হয়ে আসতে পারে। আসুন, সবাই মিলে এই ঈদে অসহায়দের মুখে হাসি ফোটাই।"