

প্রতি ঈদুল আজহাই একেকটি গল্প বয়ে আনে, কেউ শহরে উৎসবে মেতে ওঠে, আবার কেউ ধ্বংসস্তূপের মাঝে ঈদের দিনটুকু টেনে নেয়। গাজায় এবারও বোমা আর ক্ষুধার মাঝেই মানুষ ঈদের নামাজ পড়বে। খাবার, পানি, পোশাক সবই যখন সীমিত, তখন হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি এগিয়ে এসেছে মানবিক উট, ছাগল, দুম্বা ও ভেড়ার কুরবানী এবং শিশুদের নতুন পোশাক ও উপহার পৌঁছে দিতে। সেন্ট্রাল গাজা, দেইর আলবালা, খান ইউনূস, রাফা এবং মিশরের শরণার্থী শিবির, সবার কাছেই কুরবানীর গোশত ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও একই গল্প, অনেক পরিবার সারা বছর মাংসের স্বাদ পান না। তাই এ বছর দেশে মোট ৮৭টি পশু কুরবানী করে সেই গোশত অসহায় মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। গত বছরও উত্তর–দক্ষিণের ২৬টি এলাকায় ২০০০+ পরিবারকে কুরবানীর গোশত পৌঁছে দিয়েছিল টিম হাফেজ্জী।
এই কাজগুলো মানুষের দান ও ভালোবাসায় টিকে আছে। ঈদের আনন্দ যেন কারও জন্য বেদনা না হয়, তাই আপনার ছোট একটি অংশগ্রহণও কারও পরিবারে উৎসবের আলো জ্বালাতে পারে।